আজ রাত থেকে রমজানের শেষ রাত পর্যন্ত ইবাদতে গভির মনযোগী হওয়ার জন্য কি এই ফজিলত যথেষ্ট নয়?
=============== ===============
==============
আসুন আজ রাত থেকে রমজানের শেষ রাত পর্যন্ত সারা রাত জেগে আল্লাহর ইবাদতের জন্য দৃঢ় সংকল্প করি, জীবন তো অল্প কয়েক দিনের, জান্নাতের জন্য আমরা কিছু পাথেয় সঞ্চয় করি, এই ১০ রাতের মধ্যে রয়েছে এমন ১ রাত যেই ১ রাতে ইবাদতের বিনিময়ে আমরা আল্লাহ তা'লার কাছ থেকে অনবরত ৩০ হাজার রাতের চেয়েও বেশি সওয়াব পেতে পারি সুবহানাল্লাহ, এটা আল্লাহ তা'লার ১ মহা অনুগ্রহ
=============== ===============
=============
রাসুল (সাঃ) যার আগের পরের সব গুনাহ মাফ সেই তিনি রমজানের শেষ ১০ রাতেই প্রায় সারারাত জেগে ইবাদত করেছেন এমনকি রাতগুলোতে রাসুল (সাঃ) ইবাদত করার জন্য লুঙ্গি শক্ত করে বেধে নিতেন এবং পরিবারের সকলকেও ইবাদতের জন্য জাগাতেন।(বুখারি
-২০২৪)
তাহলে আমাদের কিভাবে রাতগুলো পালন করা উচিত একটু কল্পনা করে দেখুন।
=============== ===============
===============
এই রাতগুলোতে কি কি ইবাদত করা যেতে পারে-
এই রাতগুলোতে আমরা বিশেষত #১- বেশী বেশী সলাত আদায় করা(সলাতের জন্য আলাদা কোন নিয়ম নেই আর নির্ধারিত কোন সুরাও নির্দিষ্ট নয় বরং আপনার জন্য সহজ সুরাগুলো দিয়ে ২ রাকাত ২ রাকাত করে পড়বেন আর এর জন্য সুন্নাত নাকি নফল এরকম নিয়তও করতে হবে না বরং আপনি লাইলাতুল কদরের ফজিলত পাওয়ার জন্যই তো সারা রাত জেগে সলাত আদায় করছেন এটা তো আপনার মনের মধে জানাই রয়েছে এটাই নিয়ত সরাসরি আল্লাহু আকবার বলে ২ রাকাত ২ রাকাত করে নামাজ পড়বেন আর পুরুষরা ইমামের সাথে শুরু করে ইমামের সাথে শেষ করবেন অর্থাৎ বিতির পড়ে তারপর আসবেন এতে আপনার সারা রাত ধরে সলাত আদায়ের সওয়াব হবে এরপর বাড়ীতে এসে ২ রাকাত করে করে যতটা পারেন পড়বেন, বিতিরের পরও সলাত আদায় জায়েজ রয়েছে তাই কোন সংসয়ের কারণ নেই), #২- কুরআন তিলায়ত করা, #৩- দরুদ পড়া(দরুদে ইব্রাহিম যেটা নামাজের বৈঠকে পড়া হয় সেটা কিংবা সংক্ষেপে সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেও দরুদ আদায় হয়ে যায় তাই এভাবেও পড়তে পারেন যত খুশি ততবার), #৪- তাসবিহ তাহলিল যেমন সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্ , আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা-কুওয়তা ইল্লা বিল্লাহ, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি, আস্তাগফিরুল্লাহ
া ওয়া আতুউবু ইলাইহি এগুলো বেশী বেশী পাঠ করা, #৫- বেশী বেশী আল্লাহ তা’লার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চাওয়া এবং মনের বিভিন্ন আকুতি তুলে ধরা, #৬- আল্লাহ তা’লার কাছে অতীতের পাপের জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়া, #৭- সম্ভব হলে কিছু দান করা আর রাতে দান করার মত কাউকে পাওয়া যাবে না এটাই স্বাভাবিক সেখেত্রে আপনি যে টাকাটা দান করতে চান সেটা দানের নিয়তে অন্য যায়গায় জমা রাখুন সুযোগ হলে দান করে দিবেন এভাবে শেষ ১০ রাতেই জমা করে রেখে পরে সুযোগ মত দিলেই লাইলাতুল কদরের রাতে দানের সওয়াব পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ এছাড়াও যতো ভালো কাজ আছে সবই বেশী বেশী করার আপ্রাণ চেষ্টা করুন আর মহিলাদের যাদের হায়েজ নেফাস অবস্থা রয়েছে তারা সুধু ১ আর ২ অর্থাৎ সলাত আদায় আর কুরআন তিলায়াত বাদে বাকি উল্লেখিত সবগুলো ইবাদতের মাধ্যমে এই রাত্রিগুলো কাঁটাতে পারবে, কিছু সময় সলাত আদায়, কিছু সময় কুরআন তিলায়াত, কিছু সময় তাসবিহ তাহলিল পাঠ এভাবেই আমরা সারা রাত আল্লাহর ইবাদতে কাটিয়ে দিতে পারি, আল্লাহ তা'লা তার সন্তুষ্টিমূলক কাজ আমাদের জন্য সহজ করে দিন
===============
==============
আসুন আজ রাত থেকে রমজানের শেষ রাত পর্যন্ত সারা রাত জেগে আল্লাহর ইবাদতের জন্য দৃঢ় সংকল্প করি, জীবন তো অল্প কয়েক দিনের, জান্নাতের জন্য আমরা কিছু পাথেয় সঞ্চয় করি, এই ১০ রাতের মধ্যে রয়েছে এমন ১ রাত যেই ১ রাতে ইবাদতের বিনিময়ে আমরা আল্লাহ তা'লার কাছ থেকে অনবরত ৩০ হাজার রাতের চেয়েও বেশি সওয়াব পেতে পারি সুবহানাল্লাহ, এটা আল্লাহ তা'লার ১ মহা অনুগ্রহ
===============
=============
রাসুল (সাঃ) যার আগের পরের সব গুনাহ মাফ সেই তিনি রমজানের শেষ ১০ রাতেই প্রায় সারারাত জেগে ইবাদত করেছেন এমনকি রাতগুলোতে রাসুল (সাঃ) ইবাদত করার জন্য লুঙ্গি শক্ত করে বেধে নিতেন এবং পরিবারের সকলকেও ইবাদতের জন্য জাগাতেন।(বুখারি
-২০২৪)
তাহলে আমাদের কিভাবে রাতগুলো পালন করা উচিত একটু কল্পনা করে দেখুন।
===============
===============
এই রাতগুলোতে কি কি ইবাদত করা যেতে পারে-
এই রাতগুলোতে আমরা বিশেষত #১- বেশী বেশী সলাত আদায় করা(সলাতের জন্য আলাদা কোন নিয়ম নেই আর নির্ধারিত কোন সুরাও নির্দিষ্ট নয় বরং আপনার জন্য সহজ সুরাগুলো দিয়ে ২ রাকাত ২ রাকাত করে পড়বেন আর এর জন্য সুন্নাত নাকি নফল এরকম নিয়তও করতে হবে না বরং আপনি লাইলাতুল কদরের ফজিলত পাওয়ার জন্যই তো সারা রাত জেগে সলাত আদায় করছেন এটা তো আপনার মনের মধে জানাই রয়েছে এটাই নিয়ত সরাসরি আল্লাহু আকবার বলে ২ রাকাত ২ রাকাত করে নামাজ পড়বেন আর পুরুষরা ইমামের সাথে শুরু করে ইমামের সাথে শেষ করবেন অর্থাৎ বিতির পড়ে তারপর আসবেন এতে আপনার সারা রাত ধরে সলাত আদায়ের সওয়াব হবে এরপর বাড়ীতে এসে ২ রাকাত করে করে যতটা পারেন পড়বেন, বিতিরের পরও সলাত আদায় জায়েজ রয়েছে তাই কোন সংসয়ের কারণ নেই), #২- কুরআন তিলায়ত করা, #৩- দরুদ পড়া(দরুদে ইব্রাহিম যেটা নামাজের বৈঠকে পড়া হয় সেটা কিংবা সংক্ষেপে সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেও দরুদ আদায় হয়ে যায় তাই এভাবেও পড়তে পারেন যত খুশি ততবার), #৪- তাসবিহ তাহলিল যেমন সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্
া ওয়া আতুউবু ইলাইহি এগুলো বেশী বেশী পাঠ করা, #৫- বেশী বেশী আল্লাহ তা’লার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চাওয়া এবং মনের বিভিন্ন আকুতি তুলে ধরা, #৬- আল্লাহ তা’লার কাছে অতীতের পাপের জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়া, #৭- সম্ভব হলে কিছু দান করা আর রাতে দান করার মত কাউকে পাওয়া যাবে না এটাই স্বাভাবিক সেখেত্রে আপনি যে টাকাটা দান করতে চান সেটা দানের নিয়তে অন্য যায়গায় জমা রাখুন সুযোগ হলে দান করে দিবেন এভাবে শেষ ১০ রাতেই জমা করে রেখে পরে সুযোগ মত দিলেই লাইলাতুল কদরের রাতে দানের সওয়াব পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ এছাড়াও যতো ভালো কাজ আছে সবই বেশী বেশী করার আপ্রাণ চেষ্টা করুন আর মহিলাদের যাদের হায়েজ নেফাস অবস্থা রয়েছে তারা সুধু ১ আর ২ অর্থাৎ সলাত আদায় আর কুরআন তিলায়াত বাদে বাকি উল্লেখিত সবগুলো ইবাদতের মাধ্যমে এই রাত্রিগুলো কাঁটাতে পারবে, কিছু সময় সলাত আদায়, কিছু সময় কুরআন তিলায়াত, কিছু সময় তাসবিহ তাহলিল পাঠ এভাবেই আমরা সারা রাত আল্লাহর ইবাদতে কাটিয়ে দিতে পারি, আল্লাহ তা'লা তার সন্তুষ্টিমূলক কাজ আমাদের জন্য সহজ করে দিন
Comments
Post a Comment